পবিত্রতা তারই জন্য, যিনি আপন বান্দাকে রাতারাতি নিয়ে গেছেন মসজিদ-ই হারাম হ’তে মসজিদ-ই আক্ব্সা পর্যন্ত, যার আশেপাশে আমি বরকত রেখেছি, যাতে আমি তাকে মহান নিদর্শনসমূহ দেখাই; নিশ্চয় তিনি শুনেন, দেখেন।
অতঃপর যখন উভয়ের মধ্যে প্রথমবারের প্রতিশ্রুতি উপস্থিত হলো, তখন আমি তাদের বিরুদ্ধে বান্দাদেরকে প্রেরণ করেছি, যুদ্ধে অতিশয় শক্তিশালী; এরপর তারা শহরগুলোর মধ্যে তোমাদেরকে তালাশ করার জন্য প্রবেশ করলো। আর এটা একটা প্রতিশ্রুতি ছিলো, যা পূরণ হবারই ছিলো।
যদি তোমরা সৎকর্ম করো, তবে নিজেদেরই কল্যাণ করবে। আর যদি মন্দ কর্ম করো, তবে (তাও) নিজেদেরই। অতঃপর যখন দ্বিতীয়বারের প্রতিশ্রুতি উপস্থিত হলো এ জন্য যে, শত্রু তোমাদের মুখমণ্ডল বিকৃত করে দেবে এবং মসজিদে প্রবেশ করবে, যেমন প্রথমবার প্রবেশ করেছিলো আর যে জিনিষের উপর তারা আধিপত্য লাভ করবে তা ধ্বংস করে উজাড় করে দেবে।
একথা সন্নিকটে যে, তোমাদের রব তোমাদের প্রতি দয়া করবেন এবং যদি তোমরা আবারো দুষ্টামী করো, তবে আমিও আবার শাস্তি দেবো; আর আমি জাহান্নামকে কাফিরদের কারাগার করেছি।
এবং আমি রাত ও দিনকে দু’টি নিদর্শন করেছি; সুতরাং রাতের নিদর্শনকে স্তিমিত রেখেছি এবং দিনের নিদর্শনকে প্রদর্শনকারী, যাতে আপন রবের অনুগ্রহ সন্ধান করো এবং বছরগুলোর গণনা ও হিসাব জানতে পারো। আর আমি প্রত্যেক বস্তুকে অত্যন্ত পৃথক পৃথকভাবে প্রকাশ করে দিয়েছি।
যে সঠিক পথেএসেছেসে নিজেরই কল্যাণের জন্য সঠিক পথে এসেছে। আর যে পথভ্রষ্ট হয়েছেসে নিজেরই অকল্যাণের জন্যপথভ্রষ্ট হয়েছে এবং কোন ভারবাহী আত্না অন্য কারো বোঝা বহন করবে না। এবং আমি শাস্তিদাতা নই যতক্ষণ না রসূল প্রেরণ করি।
এবং যখন আমি কোন জনপদকে ধ্বংস করতে চাই, তখন সেটার স্বাচ্ছন্দ্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের উপর বিধানবলী প্রেরণ করি। অতঃপর তারা তাতে নির্দেশ অমান্য করে, এরপর সেটার প্রতি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়ে যায়। তখন আমি সেটাক ধ্বংস করে নিশ্চিহ্ন করে দিই।
যে ব্যক্তি এ শীঘ্রতাসম্পন্নাকেই চায় আমি তাকে তাতে শিগ্গির দিয়ে দিই- আমি যা ইচ্ছা করি যাকে চাই। অতঃপর তার জন্য জাহান্নাম নির্ধারিত করি; যাতে সে তাতে প্রবেশ করে নিন্দিত অবস্থায়, ধাক্কা খেতে খেতে।
এবং আপনার রব নির্দেশ দিয়েছেন যেন (তোমরা) তিনি ব্যতীত অন্য কারো ইবাদত না করো এবং যেন মাতা-পিতার প্রতি সদ্ব্যবহার করো। যদি তোমার সামনে তাদের মধ্যে একজন কিংবা উভয়ে বার্ধক্যে উপনীত হয়ে যায় তবে তাদেরকে ‘উহ্’ বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না আর তাদের সাথে সম্মানসূচক কথা বলবে।
এবং কোন প্রাণকে, যেটার সম্মান আল্লাহ্ রেখেছেন, অন্যায়ভাবে হত্যা করো না এবং যাকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে, তবে নিশ্চয় আমি তার উত্তরাধিকারীকে অধিকার দিয়েছি; অতঃপর সে যেন হত্যার ব্যাপারে সীমাতিক্রম না করে। অবশ্যই তাকে সাহায্য করা হবে।
এবং এতিমের সম্পত্তির নিকটবর্তী হয়ো না, কিন্তু ওই পন্থায়, যা সর্বাপেক্ষা উত্তম যতদিন না সে আপন যৌবনে পদার্পণ করে এবং অঙ্গীকার পূরণ করো; নিশ্চয় অঙ্গীকার সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।
এটা ওই ওহীসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যেগুলো আপনার রব আপনারপ্রতি প্রেরণ করেছেন, হিকমতের বাণীসমূহ এবং হে শ্রোতা! আল্লাহ্র সাথে অন্য খোদা স্থির করো না, যে কারণে তুমি জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে নিন্দিত হয়ে, ধাক্কা খেতে খেতে।
তারই পবিত্রতা ঘোষণা করে সপ্ত আসমান ও যমীন এবং যা কিছু সেগুলোর মধ্যে রয়েছে এমন কোন বস্তু নেই, যা তার প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা ঘোষণা করে না; হাঁ, তোমরা সেগুলোর তাস্বীহ অনুধাবন করতে পারো না।। নিশ্চয় তিনি সহনশীল, ক্ষমাপরায়ণ।
এবং আমি তাদের অন্তরগুলোর উপর আবরণ রেখে দিয়েছি, যাতে তারা সেটা উপলব্ধি করতে না পারে আর তাদের কানের মধ্যে বধিরতা। এবং যখন আপনি ক্বোরআনের মধ্যে আপন একমাত্র রবের কথা স্মরণ করেন, তখন তারা বিমুখ হয়ে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পলায়ন করে।
আমি ভালোভাবে জানি কী জন্য তারা শুনছে যখন তারা আপনার প্রতি কান পাতে; এবং যখন পরস্পর পরামর্শ করে, যখন যালিমগণ বলে, ‘তোমরা তো অনুসরণ করো নি, কিন্তু এমন এক পুরুষের, যার উপর যাদু করা হয়েছে’।
অথবা অন্য কোন সৃষ্টি, যা তোমাদের ধারণায় বড় হয়। অতঃপর এখন তারা বলবে, ‘আমাদেরকে পুনরায় কে সৃষ্টি করেবে?’ আপনি বলুন, ‘তিনিই, যিনি তোমাদেরকে প্রথমবার সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর এখন আপনার প্রতি বিদ্রূপবশতঃ মাথা নেড়ে বলবে, ‘এতা কবে?’ আপনি বলুন, ‘সম্ভবত’ শিগ্গিরই হবে;
এবং আমার বান্দাদেরকে বলুন ওই কথা বলতে- যা সর্বাপেক্ষা উত্তম। নিশ্চয় শয়তান তাদের পরস্পরের মধ্যে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে দেয়। নিশ্চয় শয়তান মানুষের প্রকাশ্য শত্রু।
আর আপনার রব ভালভাবে জানেন যা কিছু আসমানসমূহ এবং যমীনে রয়েছে; এবং নিশ্চয় আমি নবীগণের মধ্যে একজনকে অন্যজনের উপর অধিকতর মর্যাদা দিয়েছি আর দাঊদকে ‘যাবুর’ দান করেছি।
আপনি বলুন! ‘ডাকো তাদেরকে, যাদেরকে আল্লাহ্ ব্যতীত ধারণা করছো’। তখন (দেখবে) সেগুলো কোন ক্ষমতা রাখে না তোমাদের নিকট থেকে দুঃখ-কষ্ট দূর করার এবং না ফিরিয়ে দেওয়ার।
ওই সব মাক্ববূল বান্দা, যাদেরকে এ সব কাফির পূজা করে, তারা নিজেরাই আপন রবের প্রতি মাধ্যম সন্ধান করে- কে তাদের মধ্যে বেশি নৈকট্যপ্রাপ্ত, তার দয়ার আশা রাখে এবং তার শাস্তিকে ভয় করে। নিশ্চয় আপনার রবের শাস্তি ভয়ের বস্তু।
এবং আমি এমন সব নিদর্শন প্রেরণ করা থেকে এ জন্যই বিরত রয়েছি যে, সেগুলোকে পূর্ববর্তী উম্মতগণ অস্বীকার করেছে। আর আমি সামূদ সম্প্রদায়কে উষ্ট্রী প্রদান করেছি চোখ খোলার জন্য, অতঃপর তারা সেটার প্রতি যুল্ম করেছে। এবং আমি ভয় দেখানোর জন্যই এমন নিদর্শনসমূহ প্রেরণ করি।
এবং যখন আমি আপনাকে বলেছি যে, সব লোক আপনার রবের আয়ত্বাধিন রয়েছে এবং আমি যে দৃশ্য আপনাকে দেখিয়েছিলাম তা এবং ক্বোরাআনে উল্লিখিত অভিশপ্ত বৃক্ষতি শুধু মানুষের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ করেছি। এবং আমি তাদেরকে ভয় দেখাই অতঃপর তাদের ঘোর অবাধ্যতাই বৃদ্ধি পায়।
এবং স্মরণ করুন, যখন আমি ফিরিশ্তাদেরকে নির্দেশ দিলাম ‘আদমকে সাজ্দা করো!’ তখন তারা সবাই সাজ্দা করলো ইবলীস ব্যতীত। সে বললো, ‘আমি কি তাকেই সাজদা করবো যাকে তুমি মাটি থেকে সৃষ্টি করেছো?’
সে বললো, ‘দেখো তো, এই যে তুমি যাকে আমার চেয়ে অধিক সম্মানিত করেছো, যদি তুমি আমাকে ক্বিয়ামত পর্যন্ত অবকাশ দাও, তবে অবশ্যই আমি তার বংশধরগণকে পিষ্ট করে ফেলবো, কিন্তু অল্প কতেককে’।
এবং পদস্থুলিত করে দাও তাদের মধ্যে যাকে পারো আপন আওয়াজ দ্বারা। আর তাদের বিরুদ্ধে সমর-সজ্জিত করে আনো আপন অশ্বারোহী ও পদাতিক বাহিনীকে আর তাদের শরীক হও ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততিতে আর তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দাও। এবং শয়তান তাদেরকে শুধু ছলনা দ্বারা প্রতিশ্রুতি দেয়’।
এবং যখন তোমাদেরকে সমুদ্রে বিপদ স্পর্শ করে, তখন তিনি ব্যতিত যাদেরকে পূজা করো সবই হারিয়ে যায়; অতঃপর যখন তিনি তোমাদেরকে উদ্ধার করে স্থলের দিকে আনেন, তখন তোমরা মুখ ফিরিয়ে নিয়ে থাকো এবং মানুষ বড়ই অকৃতজ্ঞ।
তোমরা কি এ থেকে নির্ভীক হয়েছো যে, তিনি স্থলেরই কোন পার্শ্ব তোমরাসহ ধ্বসিয়ে দেবেন, অথবা তোমাদের উপর পাথর বর্ষণ করবেন, অতঃপর তোমাদের কোন সাহায্যকারী পাবে না?
অথবা এ থেকে নির্ভিক হয়েছো যে, তোমাদেরকে আরেকবার সমুদ্রে নিয়ে যাবেন অতঃপর তোমাদের উপর জাহাজ ধ্বংসকারী প্রচণ্ড ঝটিকা প্রেরণ করবেন, তারপর তোমাদেরকে তোমাদের কুফরের কারণে নিমজ্জিত করবেন, এরপর তোমাদের জন্য এমন কাউকেও পাবে না যে এর উপর আমার পাশ্চাদ্ধাবন করবে?
আর নিঃসন্দেহে আমি আদম সন্তানদেরকে সম্মান দিয়েছি এবং তাদেরকে স্থলে ও জলে আরোহণ করিয়েছি আর তাদেরকে পবিত্র বস্তুসমূহ জীবিকারূপে দিয়েছি এবং তাদেরকে আপন বহু সৃষ্টির উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।
যে দিন আমি প্রত্যেক দলকে তাদের ইমাম (নেতা) সহকারে আহ্বান করবো, ‘আমলনামা’ ডান হাতে প্রদান করা হবে তখন এসব লোক আপন আপন ‘আমলনামা’ পাঠ করবে; এবং তাদের প্রাপ্য সুতা পরিমাণও বিনষ্ট করা হবে না।
আর তারা তো নিকটবর্তী ছিলো (হে হাবীব!) আপনার পদস্থুলন ঘটানোর আমার ওই ওহী থেকে যা আমি আপনার প্রতি প্রেরণ করেছি, যাতে আপনি আমার প্রতি অন্য কিছুর সম্বন্ধ গড়ে দেন। আর যদি এমন হতো তাহলে তারা আপনাকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু করে নিতো।
আর নিশ্চয় নিকটবর্তী ছিলো যে, তারা আপনাকে এ ভূমি থেকে উৎখাত করবে আপনাকে তা থেকে বের করে দেয়ার জন্য; এবং এমন হলে তারা আপনার পরে টিকে থাকতো না, কিন্তু অল্পকাল।
এবং রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ ক্বায়েম করুন। এটা খাস আপনার জন্য অতিরিক্ত। এ কথা নিকটে যে, আপনাকে আপনার রব এমন স্থানে দণ্ডায়মান করবেন যেখানে সবাই আপনার প্রশংসা করবে।
এবং আমি ইচ্ছা করলে ও ওহী, যা আমি আপনার প্রতি করেছি, তা প্রত্যাহার করে নিতাম। অতঃপর আপনি এমন কাউকে পেতেন না, যে আপনার পক্ষে আমার সম্মুখে এর উপর ওকালতি করতো;
আপনি বলুন, ‘যদি মানুষ ও জিন্ সবাই এ কথার উপর একমত হয়ে যায় যে, এ ক্বোরআনের অনুরূপ আনয়ন করবে, তবে এর অনুরূপ আনয়ন করতে পারবে না, যদিও তারা একে অপরের সাহায্যকারী হয়।
এবং নিশ্চয় আমি মানুষের জন্য এ ক্বোরআনের মধ্যে প্রত্যেক প্রকারের উপমা বিভিন্নভবে বর্ণনা করেছি। অতঃপর অধিকাংশ মানুষ অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ছাড়া অন্য কিছু মানলো না।
অথবা আপনার জন্য একটা স্বর্ণ নির্মিত ঘর হবে; অথবা আপনি আকাশে আরোহণ করবেন এবং আমরা আপনার আরোহণের উপরও কখনো ঈমান আনবো না যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের উপর একটা কিতাব অবতীর্ণ করবেন না, যা আমরা পাঠ করবো। আপনি বলুন, ‘পবিত্রতা আমার রবের জন্য। আমি কে হই? কিন্তু মানুষ, আল্লাহ্রই প্রেরিত’।
এবং আল্লাহ্ যাকে পথ প্রদান করেন, সে-ই পথের উপর প্রতিষ্ঠিত এবং যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তবে তাদের জন্য তাকে ব্যতীত কোন অভিভাবক পাবেন না এবং আমি তাদেরকে ক্বিয়ামতের দিন তাদের মুখের উপর ভর করে উঠাবো-অন্ধ, মূক ও বধির করে। তাদের ঠিকানা হচ্ছে জাহান্নাম; যখন তা কখনো তা স্তিমিত হয়ে আসবে তখন আমি তাদের জন্য সেটাকে আরো প্রজ্জ্বলিত করে দেবো।
এটা তাদের শাস্তি, এজন্য যে, তারা আমার আয়াতসমূহ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে, ‘যখন আমরা অস্থিসমূহ ও চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবো। তবুও কি সত্যি সত্যি আমরা নতুন সৃষ্টিরূপে পুনরুত্থিত হবো?’
এবং তারা কি লক্ষ্য করে না যে, ওই আল্লাহ্ যিনি আসমান ও যমীন সৃষ্টি অরেছেন তিনি ওই সব লোকের অনুরূপ সৃষ্টি করতেপারেন? এবং তিনি তাদের জন্য একটা নির্দিষ্ট কাল স্থির করে রেখেছেন, যা’তে কোন সন্দেহ নেই। তথাপি, যালিমগণ অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা ব্যতিরেকে অন্য কিছু মানে না।
এবং নিশ্চয় আমি মূসাকে নয়টা সুস্পষ্ট নিদর্শন দিয়েছি; সুতরাং আপনি বনী ইস্রাঈলকে জিজ্ঞাসা করুন! যখন সে তাদের নিকট আসলো, তখন তাকে ফির’আউন বললো, ‘হে মূসা! আমার ধারণায় তোমার উপর যাদু করা হয়েছে’।
আপনি বলুন, ‘তোমরা এর উপর ঈমান আনো অথবা না আনো! নিশ্চয় ওই সব লোক যারা এটা অবতীর্ণ হবার পূর্বে জ্ঞান লাভ করেছে, যখনই তা তাদের উপর পাঠ করা হয়, তখন তারা থুতনির উপর ভর করে সাজদায় লুটিয়ে পড়ে’।
আপনি বলুন, ‘আল্লাহ্’ বলে আহ্বান করো কিংবা ‘রহমান’ বলে ডাকো- যা বলেই আহ্বান করো- সবই তার সুন্দর সুন্দর নাম। এবং আপন নামায না খুব উচ্চস্বরে পড়ো, না একেবারে ক্ষীণ স্বরে এবং এই দু’-এর মধ্যখানে পথ সন্ধান করো।
এবং এভাবে বলো, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্রই, যিনি নিজের জন্য সন্তান গ্রহণ করেন নি এবং বাদশাহীর মধ্যে কেউ তার শরীক নেই আর দুর্বলতার কারণে তার কোন সাহায্যকারী নেই; এবং তার মহত্ব ঘোষণার নিমিত্ত ‘তাকবীর’ বলো।